শুরুকথাঃ

উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকাহ (রাঃ)-এর বিয়ের সময় উনার বয়স কত ছিল তা নিয়ে ঐতিহাসিকভাবে দুইটি মত থাকা সত্ত্বেও আমাদের অধিকাংশ মুসলমানই শুধুমাত্র একটি মতই ব্যক্ত করে থাকেন যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা। আমি আজ এখানে উভয় মতই তুলে ধরব। সে সাথে আমি আমার পছন্দনীয় মতের পক্ষে দলিল ও যুক্তি পেশ করব, ইনশাআল্লাহ।

  • হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর বিয়ের সময়কার বয়স :
  • প্রথম মত :

১. রাসূল (সাঃ) এর সাথে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বিয়ে হয় তৃতীয় হিজরী সনের শাওয়াল মাসে বা ৬২৩-৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে। যদিও বলা হয়, হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর জন্ম ৬১৪ খৃষ্টাব্দে কিন্তু সহীহ বুখারীতে এসেছে আল কোরআনের ৫৪ তম অধ্যায় নাযিলকালে আয়েশা (রাঃ) একজন কিশোরী (جارية) বয়স্কা ছিলেন। যেমন হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, بَلِ السَّاعَۃُ مَوۡعِدُہُمۡ وَ السَّاعَۃُ اَدۡہٰی وَ اَمَرُّ (অর্থাৎ বরং কিয়ামত তাদের শাস্তির নির্ধারিত সময়। আর কিয়ামত হবে কঠিনতর ও তিক্তকর) আয়াতটি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মক্কায় নাযিল হয়েছিল তখন আমি কিশোরী ছিলাম, খেলা-ধুলা করতাম। [সহীহ বুখারী, কিতাবুত তাফসীর অধ্যায় নং ৫২, হাদীস নং ৪৫১২ (ইফা)]

সহীহ বুখারী কিতাবুল তাফসীর, হাদীস নং ৪৫১২ (ইফা)

উল্লেখ্য, সর্বসম্মত মুসলিম স্কলারদের মতে ৫৪তম উক্ত অধ্যায় (সূরা আল-ক্বমর) নাযিল হয় মক্কায় মুশরিকদের একটি প্রশ্নের জবাবে আনুমানিক ৬১৫ খৃষ্টাব্দের দিকে (তাফসিরে কুরতুবী, সূরা ক্বমার)। অর্থাৎ সূরা আত-ত্বরিক আর সূরা ছোয়াদ নাযিলের পর নবুওয়তের পঞ্চমবর্ষে । সে হিসাবে হযরত আয়েশা’র বয়স তখন ৯ বছর হলেও ৬২৩-৬২৪ খৃষ্টাব্দে তাঁর বয়স কোনো ভাবেই ১৭-১৮ বছরের নিচে নয়।

সহীহ মুসলিম শরীফে হযরত আবু হোরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত একখানা হাদীসে উক্ত সূরা নাযিলের প্রেক্ষাপট উল্লেখ আছে। (আরবী) :  في صحيح مسلم عن أبي هريرة قال : جاء مشركو قريش يخاصمون رسول الله صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت : يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر إنا كل شيء خلقناه بقدر خرجه الترمذي أيضا وقال حديث حسن صحيح (তাফসিরে কুরতুবী দ্রষ্টব্য)।

২. অধিকাংশ বর্ণনাকারীর মতে হযরত আয়েশা (রাঃ) বদরের যুদ্ধ (৬২৪ খৃষ্টাব্দে) এবং ওহুদের যুদ্ধ (৬২৫ খৃষ্টাব্দে) ইত্যাদীতে অংশগ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য রাসুল (সাঃ) এর বাহিনীতে ১৫ বছরের কম বয়স্ক কেউ গ্রহণযোগ্য ছিলনা বরং তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হত। সুতরাং সেসময় যে হযরত আয়েশা’র বয়স ৬ বা ৯ ছিলনা, তা বলাই বাহুল্য। (সহীহ বুখারী, কিতাবুল জিহাদ ওয়াস সিয়ার)।

A narrative regarding Ayesha’s participation in the battle of Uhud is given in Bukhari, (Kitabu’l-jihad wa’l-siyar, Arabic, Bab Ghazwi’l-nisa’ wa qitalihinna maa’lrijal; that all boys under 15 were sent back is given in Bukhari, Kitabu’l- maghazi, Bab ghazwati’l- khandaq wa hiya’l-ahza’b, Arabic).

৩. অধিকাংশ ইতিহাসবিদ মতে, হযরত আয়েশার বোন হযরত আসমা ছিলেন তাঁর চেয়ে দশ বছরের বড়। ইতিহাস থেকে জানা যায়, আসমা ৭৩ হিজরী সনে যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ১০০ বছর। সে হিসাবে ১লা হিজরীতে তাঁর বয়স ছিল ২৭ বছর। তাহলে সে হিসেবে ১লা হিজরীতে হযরত আয়েশার বয়স যে তখন ১৭ এর কম ছিলনা, তা বোঝা যায়। তাহলে ৬২৩-৬২৪ খৃষ্টাব্দ তাঁর বয়স ১৯ বছরই ছিল বলতে হয়। (ইমাম যাহাবীর আস-সিয়ারু আলামিন নুবালা ২/২৮৯)।

(For Asma being 10 years older than Ayesha, see Ala’ma’l- nubala’, Al- Zahabi, Vol 2, Pg 289, Arabic, Mu’assasatu’l- risalah, Beirut, 1992. Ibn Kathir confirms this fact, [Asma] was elder to her sister [Ayesha] by ten years” (Al- Bidayah wa’l- nihayah, Ibn Kathir, Vol 8, Pg 371, Arabic, Dar al-fikr al-arabi, Al-jizah, 1933).

For Asma being 100 years old, see Al-Bidayah wa’l-nihayah, Ibn Kathir, Vol 8, Pg 372, Arabic, Dar al-fikr al- `arabi, Al-jizah, 1933). Ibn Hajar al-Asqalani also has the same information: “She [Asma (ra)] lived a hundred years and died in 73 or 74 AH.” Taqribu’l-tehzib, Ibn Hajar Al- Asqalani, Pg 654, Arabic, Bab fi’l-nisa’, al- harfu’l-alif, Lucknow).

৪. প্রখ্যাত ঐতিহাসিক আল তাবারী’র বই ‘তারীখুল উমাম ওয়াল মামলূক’ থেকে পাওয়া যায় যে, হযরত আবু বকর (রাঃ) এর চার সন্তান ছিলেন যাঁরা সকলেই ইসলামপূর্ব যুগে জন্মগ্রহণ করেন (ইসলামপূর্ব যুগ ৬১০ খৃষ্টাব্দ শেষ হয় – লিখক)। তাহলে নিশ্চয়ই হযরত আয়েশা (রাঃ) এর জন্ম ৬১০ খৃষ্টাব্দের পূর্বেই হয়েছিল বলতে হবে। সে হিসাবেও মানতে হবে যে, তিনি বিবাহের সময় কমপক্ষে ১৯ বছর বয়স্কা ছিলেন। (তারীখুল উমাম ওয়াল মামলূক ৪/৫০; দারুল ফিকর, বৈরুত লেবানন)।

Tarikhu’l-umam wa’l-mamlu’k, Al-Tabari, Vol 4, Pg 50, Arabic, Dara’l-fikr, Beirut, 1979).

৫. আরেক প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনে হাইসাম থেকে জানা যায়, হযরত আয়েশা (রাঃ) হযরত উমর ইবন আল খাত্তাব (রাঃ) এর বেশ আগে ইসলাম গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য উমর ইবনে আল খাত্তাব (রাঃ) ৬১৬ খৃষ্টাব্দে ইসলাম গ্রহণ করেন। আবার হযরত আবু বকর (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেন ৬১০ খৃষ্টাব্দে। সুতরাং মানতে হবে যে, হযরত আয়েশা (রাঃ) ৬১০ এর কাছাকাছি সময়েই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তার অর্থ আবারো দাঁড়ায় যে, তিনি ৬১০ খৃষ্টাব্দের আগেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং কোন ধর্ম গ্রহণ করবার নূন্যতম বয়স ৬ অথবা ৭ হলেও তাঁর ছিল। এমতাবস্থায় ৬২৩-৬২৪ সালে তাঁর বয়স প্রায় ১৮-২০ এর কম ছিলনা। (আস-সীরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ, ইমাম ইবনে আল হাইছাম ১/২২৭-২৩৪ এবং ২৯৫)।

(Al-Sirah al- Nabawiyyah, Ibn Hisham, vol 1, Pg 227 – 234 and 295, Arabic, Maktabah al- Riyadh al- hadithah, Al- Riyadh)

৬. হাম্বলী মাযহাবের ইমাম, আহমদ ইবনে হাম্বল তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (৬/২১০) উল্লেখ করেছেন, বিবি খাদিজাহ (রাঃ) এর মৃত্যুর পরে (৬২০ খৃষ্টাব্দ) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্য খাওলাহ (خولة) নামের এক মহিলা দু’খানা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন। যার মধ্যে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর কথা উল্লেখ করার সময় একজন পূর্ণবয়স্কা যুবতী হিসেবেই উল্লেখ করেন, কোন ছোট্ট শিশু (طفل) হিসেবে নয়। (মুসনাদে আহমদ ৬/২১০)।

(Musnad, Ahmad ibn Hanbal, Vol 6, Pg 210, Arabic, Dar Ihya al-turath al- `arabi, Beirut).

৭. প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও সহীহ বুখারীর অন্যতম ভাষ্যকার ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ)-এর একটি কিতাবের নাম ﺍﻹﺻﺎﺑﺔ ﻓﻲ ﺗﻤﻴﻴﺰ ﺍﻟﺼﺤﺎﺑﺔ (আল-ইছাবাহ ফী তাময়ীঝিস সাহাবাহ)। কিতাবটির ৪র্থ খণ্ডের ৩৭৭ নং পৃষ্ঠায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, হযরত ফাতেমা (রাঃ)- এর জন্মের ৫ বছর পর হযরত আয়েশা (রাঃ) জন্মগ্রহণ করেন। আর ফাতেমা (রাঃ) এর জন্মের সময় রাসুল (সাঃ) এর বয়স ছিল ৩৫ বছর। সে হিসেবে আয়েশা (রাঃ) এর জন্মের সময় মুহাম্মদ (সাঃ) এর বয়স ছিল ৪০ বছর। সে হিসেবেও বিয়ের সময় হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বয়স কোনোভাবেই ১৩ বছরের কম ছিল না।

(Al-isabah fi tamyizi’l- sahabah, Ibn Hajar al- Asqalani, Vol 4, Pg 377, Arabic, Maktabatu’l- Riyadh al- haditha, al- Riyadh,1978)

উক্ত দীর্ঘ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হল, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সাথে বিয়ের সময় আয়েশা (রাঃ) যে ৬-৯ বছরের শিশু ছিলেননা, বরং নিম্নে ১৩ বছর আর উপরে ১৯ অথবা ২০ বছর বয়স্কা ছিলেন বলেই প্রমাণ করা। সংক্ষেপে। এই থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর বিয়ের সময় তিনি কত বছরের বয়সী ছিলেন তা নিয়ে ঐতিহাসিকভাবে দুইটি মতই সেই শুরু থেকেই অদ্যাবধি চলে আসছে। দ্বিতীয় মতটি হল, তাঁর বিয়ের সময় বয়স ৬ থেকে ৯ বছর থাকা। সহীহ বুখারীতে উক্ত বর্ণনাটি উল্লেখ থাকায় অধিকাংশ মানুষ সেটিকে গ্রহণ করে থাকে আর অপর মতটির কোনোই পরোয়া করেনা! অথচ ঐতিহাসিক বিচার-বিশ্লেষণ মতে প্রথম মতটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। এবার সহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে হযরত হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) -এর সেই বর্ণনাটি নিয়ে কিছু কথা বলব।

  • বুখারীর বর্ণনা ও হিশাম ইবনে উরওয়াহ :
  • দ্বিতীয় মত :

অনেকে ইমাম বুখারীর বর্ণিত একটি মওকূফ (যে হাদিসের সূত্র তাবেয়ী পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়ে গেছে এমন – লিখক) হাদীসের উপর ভিত্তি করে হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর বিয়ের বয়স ৬ বছর ছিল বলে মনে করে থাকেন। অথচ হাদীসটির সনদের ভেতর হিসাম ইবনে উরওয়াহ নামের রাবী (হাদীসের বর্ণনাকারী) সম্পর্কে ইমাম মালেক (রহঃ) বলেছেন, তিনি শেষ বয়সে তথা ৭১ বছর বয়সে মদিনা থেকে ইরাক চলে যাওয়ার পর স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। ফলে তার বর্ণনায় অনেক কিছুই উল্টোপাল্টা হয়ে যেত। সেজন্য তার থেকে কোনো ইরাকী রাবী যত হাদীসই বর্ণনা করবে, সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবেনা। উল্লেখ্য, বুখারী শরীফে হযরত হিসাম ইবনে উরওয়াহ তিনি ইরাকি রাবী থেকেই এটি বর্ণনা করেন। দেখুন, তাহযীবুত তাহযীব, লেখক ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ)।

(ক) প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ইমাম আবুল হাসান ইবনে ক্বাত্তান (রহঃ) ‘বায়ানুল ওয়াহাম ওয়াল ইবহাম‘ (بيان الوهم و الإبهام) কিতাবের ৫ম খন্ডের ৫০৪ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন: أن هشام اختلط في آخر عمره অর্থ হিসাম ইবনে উরওয়াহ শেষ বয়সে উল্টাপাল্টা করে ফেলত।’

(খ) ইমাম যাহাবী (রহঃ) ‘মিযানুল ই’তিদাল‘ কিতাবের ৪র্থ খন্ডের ৩০১-৩০২ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন : هشام بن عروة أحد الأعلام، حجة إمام، لكن في الكبر تناقض حفظه و لم يختلط أبداً অর্থ হিসাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) তিনি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। নির্ভরযোগ্য ইমাম ছিলেন। তবে বৃদ্ধাবস্থায় তার স্মৃতিলোপ পায় অথচ (ইতিপূর্বে) তিনি কখনো উল্টাপাল্টা করেননি।’ আরো দেখুন, আল-জারহু ওয়াত তা’দীল ৬/৪৯০, ইমাম যাহাবী (রহঃ)।

সহীহ বুখারীর হাদীস :

সহীহ বুখারী, মুসলিম সহ অনেক হাদীসগ্রন্থে হিসাম ইবনে উরওয়াহ’র সূত্রে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বয়স নিয়ে যে তথ্য এসেছে, তা হিসাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) কর্তৃক বর্নিত একটি মওকূফ বর্ণনারই আশ্রয় করে। প্রায় ৫-টি সনদে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বয়স সম্পর্কিত রেওয়ায়েত উল্লেখ রয়েছে। সবই হিসাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) কর্তৃক বর্নিত। হিসামের বর্নিত ওই ৫-টি সনদে মদিনার কোনো রাবী (বর্ণনাকারী)’র সংশ্লিষ্টতা নেই। হিসাম ইবনে উরওয়াহ বর্ণনা করেন : ﺃﻥ ﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺗﺰﻭﺝ ﺃﻡ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﻭ ﻫﻲ ﺍﺑﻨﺔ ﺳﺖ ﺳﻨﻮﺍﺕ ﻭ ﺩﺧﻞ ﺑﻬﺎ ﻭ ﻫﻲ ﺍﺑﻨﺔ ﺗﺴﻊ অর্থাৎ, রাসূল (সাঃ) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ)-কে যখন বিয়ে করেন তখন তিনি ছয় বছরের মেয়ে আর যখন তিনি তাঁকে উঠিয়ে নেন তখন তিনি নয় বছরের মেয়ে। (অনুবাদ শেষ হল)।

  • শেষকথা, হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর বিয়ের সময় তাঁর বয়স কত ছিল তা ঐতিহাসিক ভাবে দু’টি মতের উপরেই স্থাপিত। বুখারীর উক্ত হাদীসের আলোকে ও রাবী হিসাম ইবনে উরওয়াহ’র সাক্ষ্যমতে দ্বিতীয় মতটি একে তো ঊসূলে হাদীসের শর্তের বিরুদ্ধে যাওয়ায় গ্রহণযোগ্যতার পাল্লায় টিকছেনা তদুপরি ঐতিহাসিক বহু বর্ণনার সাথেও সাংঘর্ষিক। তাই আমার মতে এই বিষয়ে প্রথম মতটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। আল্লাহু আ’লাম।

লিখক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক

1 COMMENT

  1. ধন্যবাদ, এই লেখাটি আমার খুবই ভাল লেগেছে। অনেকবার চিন্তা করেছি, নবীজী সাঃ 50 বৎসর বয়সে 5-6 বছরের একজন বাচ্চাকে কিভাবে বিয়ে করলেন আর 9 বৎসর বয়সে কিভাবে সংসার করেন। নাস্তিকরা অবশ্য এটা নিয়ে অনেক কথা বলে থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here