কাদিয়ানীরা যে প্রশ্নটি করে নিজেরাই ফেঁসে যায়!

কাদিয়ানীদের একটি কুটতর্ক হল “ঈসা (আঃ) যদি আবার আসেন তাহলে মুহাম্মদ (সাঃ) ‘শেষনবী’ থাকেন কিভাবে?” মূলত তাদের এই প্রশ্নের অন্তরালে একটাই উদ্দেশ্য। তা হল, ঈসা (আঃ) এর আগমনী ভবিষ্যৎবাণীকে মির্যা কাদিয়ানীর সাথে খাপ খাওয়াতে চাওয়া। কিন্তু তাদের যখন পালটা প্রশ্ন করি, তাহলে মির্যা কাদিয়ানী নবী দাবী করায় এখন মুহাম্মদ (সাঃ) কি তোমাদের বিচারেও “শেষনবী” থাকলেন? নাকি মুহাম্মদ (সাঃ) যে শেষনবী, এই কনসেপশনটাই তোমরা মূলত স্বীকার করোনা! যদি তা-ই হয় তাহলে ঈসা (আঃ) এর আগমনী ভবিষ্যৎবাণীর বিরুদ্ধে অর্থাৎ ঈসা (আঃ) যদি আবার আসেন তাহলে মুহাম্মদ (সাঃ) ‘শেষনবী’ থাকেন কিভাবে—এই ধরণের প্রশ্নেরই বা উত্থাপন কেন কর?

পাঠকের সুবিধার্থে সম্পূর্ণ লিখাটি ইমেজ আকারে
  • নোট : প্রশ্নকর্তা, ঈসা (আঃ) যদি আবার আসেন তাহলে মুহাম্মদ (সাঃ) ‘শেষনবী’ থাকেন কিভাবে?

উত্তরদাতা : ঈসা (আ:)-এর দ্বিতীয়বার আগমন দ্বারা মুহাম্মদ (সা:)-এর “শেষনবী” থাকার ক্ষেত্রে কোনো প্রকারের সমস্যা হবেনা এইজন্যই যে, (ক) “শেষনবী” এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, “যাকে সবার শেষে নবী বানানো হয় তিনিই শেষনবী” (তাফসীরে কাশশাফ ৩/৫৪৫ দ্রষ্টব্য)। পক্ষান্তরে ঈসা (আ:) হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর জন্মের আগ থেকেই নবী ছিলেন। (খ) আরেকটি কারণ হল, ঈসা (আঃ) এর দ্বিতীয়বারের আগমন স্রেফ একজন “উম্মতি” রূপে হবে (আল-মু’জামুল আওসাত, হাদীস নং ৪৫৮০); নবুওয়তের দায়িত্ব নিয়ে হবেনা। কেননা “মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পর নবুওয়তের ওহী বন্ধ হয়ে গেছে” মির্যা কাদিয়ানী নিজেও তার ‘হামামাতুল বুশরা’ (বাংলা) পৃষ্ঠা নং ৪৮ এর মধ্যে এইরূপ-ই লিখে গেছেন। কিন্তু আফসোস! হতভাগা মির্যা কাদিয়ানী যদিও পরবর্তীতে নিজেই ‘নবী’ দাবী করে বসেন! দেখুন, এক গলতি কা ইযালা (বাংলা) পৃষ্ঠা নং ৫,৮,১০।

ঈসা (আ:) উম্মতে মুহাম্মদীয়ার অন্তর্ভুক্ত হতে চেয়ে প্রার্থনা করেছিলেন কি?

এখন কাদিয়ানীদের নিকট এর কী উত্তর?

সংযুক্ত স্ক্রিনশট :

হামামাতুল বুশরা
এক গলতি কা ইযালা

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

শিক্ষাবিদ ও গবেষক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here