Home Blog Page 22

মির্যার স্ববিরোধীতা-২৩

কোথাও লিখে, মির্যা কাদিয়ানী ফাতেমী নন, আবার আরেক জায়গায় লিখেন, তিনি নাকি বনী ইসরাইলি এবং ফাতেমিও! কত নিকৃষ্ট বৈপরীত্য কথা!

এখন এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বই থেকে (তিনি লিখেন),

‘মাহদী ফাতেমার সন্তান থেকে ও নবী পরিবার থেকে হওয়ার যেই সংবাদ রয়েছে আমি সেই মাহদী দাবীদার নই।’ (রূহানী খাযায়েন ২১/৩৫৬)। 

স্ববিরোধ কথা : 

‘খোদাতালা আমাকে এইরূপ মর্যাদা প্রদান করেছেন যে, আমি বনী ইসরাইলিও এবং ফাতেমীও; উভয়ের রক্তে আমার অংশ রয়েছে।’ (রূহানী খাযায়েন ১৮/২১৬)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি,

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-২২

মির্যার বিপরীতমুখী ইলহাম, কখনো বলছে ‘দুটি ছাগল’ হতে অমুক দুইজন উদ্দেশ্য আবার আরেক জায়গায় সম্পূর্ণ উল্টো! কত নিকৃষ্ট বৈপরীত্য!

এখন এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বই থেকে (তিনি লিখেন),

‘দুটি ছাগল যবাই করার ভবিষ্যৎবাণী হতে আহমদ বেগ আর তার জামাতা (সুলতান মুহাম্মদ) এর প্রতিই ইংগিত।’ (রূহানী খাযায়েন ১১/৩৪১)। 

স্ববিরোধ কথা : 

‘এই ভবিষ্যৎবাণী ছিল শহীদ মরহূম মৌলভী আব্দুল লতিফ এবং তার মুরীদ শহীদ আব্দুর রহমান সম্পর্কে।’ (তাযকিরাতুশ শাহাদাতাইন [বাংলা] পৃষ্ঠা নং ৮৫)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি,

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-২১

কখনো বলছে ‘লূদ’ বায়তুল মুকাদ্দাসের একটি গ্রাম আবার কখনো অন্য কথা! মির্যার কথায় এত নিকৃষ্ট বৈপরীত্য!

এখন এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বই থেকে (তিনি লিখেন), ‘লূদ হল বায়তুল মুকাদ্দাসের একটি গ্রাম’। (রূহানী খাযায়েন ৩/২০৯)।

স্ববিরোধ কথা :

‘লূদ হল (পাকিস্তানের) লুধিয়ানা শব্দের সংক্ষিপ্তরূপ।’ (রূহানী খাযায়েন ১৮/৩৪১)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-২০

কোথাও লিখলেন, ঈসা (আ.)-এর ইহ জীবদ্দশায় ঈসায়ী ধর্মে কোনো বিকৃতি ঘটতে পারেনা। আবার নিজেই আরেক জায়গায় লিখলেন, ঈসায়ীধর্মে সমস্ত বিকৃতি ঘটেছে সেন্ট পৌলের মাধ্যমে! অথচ সেন্ট পৌলের মৃত্যু যখন হয়, মির্যার বিশ্বাস অনুযায়ী ঈসা (আ.) তখনো ইহ-জগতে ও কাশ্মীরে-ই ছিলেন!

এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন, ‘মোটকথা এই (ঈসায়ী) ধর্মে সমস্ত খারাবি পৌলের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়েছিল। হযরত মসীহ তো একজন সরলমনা মানুষ ছিলেন, তিনি কখনো চাননি যে কেউ তাঁকে একজন নেক মানুষও বলুক কিন্তু পৌল তাঁকে খোদা বানিয়ে দেয়।’ (চশমায়ে মসীহি, রূহানী খাযায়েন খ-২০/পৃ-৩৭৫)।

স্ববিরোধ কথা :

তিনি আরেক জায়গায় সূরা আল মায়েদা আয়াত নং ১১৭ এর فلما توفيتنى (আর যখন আপনি আমাকে তুলিয়া নইলেন…) সম্পর্কে লিখেন, ‘মোটকথা হল, আয়াতটি দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈসায়ীধর্মে সমস্ত ফাসাদ এবং বিভ্রান্তি হযরত ঈসা (আ.)-এর মৃত্যুর পরেই শুরু হয়েছিল।’ (রূহানী খাযায়েন খ-১১/পৃ-৩২১-২২)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

সর্বপ্রথম ত্রিত্ববাদ বিষয়ক বৃক্ষ রোপণ করেন সেন্টপৌল! (চশমায়ে মসীহি, বাংলা অনূদিত কপির পৃষ্ঠা নং ৪৪ থেকে দ্রষ্টব্য)।

এখানে ‘স্ববিরোধ কথা’ কিভাবে হল তা বুঝার জন্য সেন্ট পৌলের মৃত্যু-তারিখটা জানা থাকা জরুরী। সেন্ট পৌলের মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ বা ৬৫ ঈসায়ীতে।

  • তার প্রমাণের জন্য মাইকেল এইচ হার্ট এর The 100 (দ্য হান্ড্রেড : অ্যা র‍্যাঙ্কিং অব দ্য মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পারসন্স ইন হিস্ট্রি) গ্রন্থ দ্রষ্টব্য। এছাড়া ST. PAUL (জন্ম ৪ বা ৫ খ্রিস্টাব্দ) (মৃত্যু ৬৪ খ্রিস্টাব্দ) দ্রষ্টব্য। আরো দেখুন, Brown, Raymond E. (1997) An Introduction to the New Testament, p. 436. Doubleday, Anchor Bible Reference Library, আন্তর্জাতিক বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া সাইটেও ৬৪ বা ৬৭ খ্রিস্টাব্দ বলেই উল্লেখ পাওয়া যায়।

এবার বুঝে থাকলে বলুন, মির্যা কাদিয়ানী সূরা আল মায়েদা আয়াত নং ১১৭ এর ‘তাওয়াফফা’ হতে রূপক অর্থ মৃত্যু উদ্দেশ্য নিতে যে যুক্তির অবতারণা করে বললেন যে, এই আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈসায়ীধর্মে সমস্ত বিভ্রান্তি হযরত ঈসা (আ.)-এর মৃত্যুর পরেই শুরু হয়েছিল’—এ কথা সঠিক হলে তখন তারই বিশ্বাস অনুযায়ী সেন্ট পৌলের মৃত্যুর পরেও ঈসা (আ.) কাশ্মীরে থাকার যৌক্তিকতা কী? উল্লেখ্য, মির্যা কাদিয়ানী তার ‘মসীহ হিন্দুস্তান মে’ বইতে লিখেন, ‘ঈসা (আ.) ১২০ বছর বয়সে কাশ্মিরের শ্রীনগরেই মৃত্যুবরণ করেছেন এবং শ্রীনগরের খান ইয়ার মহল্লায় তার কবর রয়েছে।’ (রূহানী খাযায়েন খ-১৫ পৃ-১৪)। আশাকরি মির্যার স্ববিরোধী কথা কিভাবে হল তা এবার বুঝতে পেরেছেন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৯

কতটা নিকৃষ্ট স্ববিরোধ কথা, নবুওয়তি প্রাসাদের আখেরি ইট নাকি মির্যা কাদিয়ানী সে নিজেই! তাহলে আগে কেন বলল যে, নবুওয়তি প্রাসাদের আখেরি ইট হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!

এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বই থেকে (তিনি লিখেছেন) ‘এবং নবুওয়তী প্রাসাদের সর্বশেষ ইট হলেন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’ (রূহানী খাযায়েন: ২/২৪৬; রচনাকাল ১৮৮৬ইং)। 

স্ববিরোধী কথা : 

‘সুতরাং খোদাতায়ালা ইচ্ছা করলেন যে, এই ভবিষ্যৎবাণী পূর্ণ করবেন এবং সর্বশেষ ইট দ্বারা [নবুওয়তের] ভিত্তিকে পরিপূর্ণতা পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেবেন। অতএব আমিই হলাম সেই [সর্বশেষ] ইট।’ (রূহানী খাযায়েন: ১৬/১৭৭-৭৮; রচনাকাল ১৯০০ইং)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৮

কেমন নিকৃষ্ট স্ববিরোধ কথা, একবার বলে মসীহ আমি ব্যতীত আর কেউ হবার সুযোগ নেই। আরেক জায়গায় লিখলো, দশ হাজারের অধিক মসীহ আসতে পারে এমনকি তা সম্ভবও।

এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বই থেকে (তিনি লিখেছেন) ‘সুতরাং আমি ব্যতীত দ্বিতীয় আর কোনো মসীহ এর জন্য আমার যুগের পর [দুনিয়ায়] কদম রাখার [আগমন করার] জায়গা নেই।’ (রূহানী খাযায়েন: ১৬/২৪৩; রচনাকাল ১৯০০ইং)। 

স্ববিরোধী কথা : 

‘এই অধমের (মির্যা) পক্ষ হতেও এমনটি দাবী করা হয় না যে, মাসীহিয়ত [কথিত রূপক মসীহ্’র আগমনীধারা] আমার সত্তাতেই সমাপ্ত হয়ে গেছে এবং আগামীতে আর কোনো মসীহ্ আগমন করবেনা! বরং আমি তো মানি এবং বারবার বলিও যে, একজন কেন; দশহাজারের চেয়েও অধিক মসীহ্ আগমন করতে পারে এমনকি সম্ভব যে, প্রকাশ্য সম্মান ও সমৃদ্ধিসহকারে আগমন করবে। আরও সম্ভব যে, তিনি সর্বপ্রথম [সিরিয়ার] দামেস্ক নগরীতে অবতরণ করবেন।’ (রূহানী খাযায়েন: ৩/২৫১; রচনাকাল ১৮৯১ইং)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৭

একেক সময় একেক স্ববিরোধ কথা, কখনো তার শিক্ষক ছিলনা বলে দাবী, আবার কখনো নিজেই নিজের শিক্ষকদের তালিকা বলে দিচ্ছেন!

এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানী সাহেবের বই থেকে (তিনি লিখেছেন) ‘কেউ প্রমাণ করতে পারবেনা যে, আমি কোনো মানুষ থেকে কুরআন হাদীস অথবা তাফসীরের একটি পাঠও পড়েছি।’ (রূহানী খাযায়েন: ১৪/৩৯৪; রচনাকাল ১৮৯৭ইং)। 

স্ববিরোধী কথা : 

‘আমি যখন ছয় বছর বয়সী তখন একজন ফারসী ভাষী শিক্ষককে আমার জন্য চাকর নিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনি কুরআন শরীফ এবং ফারসীর কিছু বই আমাকে পড়িয়েছেন। ঐ বুযূর্গ লোকটির নাম ছিল ফজলে ইলাহী।’ (রূহানী খাযায়েন: ১৩/১৮০)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৬

একবার লিখলেন, কাশ্মীরের খানইয়ার মহল্লায় সমাহিত ‘ইউজে আসেফ’-ই ছিলেন ঈসা ইবনে মরিয়ম। আবার কোনো কোনো জায়গায় লিখলেন, ইউজে আসেফ একজন বাদশার পুত্র এবং যিশুখ্রিষ্টের (ঈসা) জন্মেরও পূর্বেকার ব্যক্তি…!

এখন এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানী সাহেব লিখলেন,

کشمیر کے تمام باشندوں کا اس بات پر اتفاق دیکھ کر کہ یہ نبی جس کی کشمیر میں قبر ہے ہمارے نبی صلی اللہ علیہ وسلم سے چھہ سو برس پہلے گزرا ہے صاف طور پر حضرت عیسی کو متعین کر رہا ہے۔

অর্থাৎ কাশ্মীরে এই নবীর কবরের ব্যাপারে সেখানকার সমস্ত স্থানীয়দের একমত হওয়া যে, তিনি আমাদের নবী (সা.)-এরও ছয় শত বছর পূর্বেই গত হয়ে গেছেন, তা হযরত ঈসাকেই পরিষ্কার নির্দেশ করছে। (কাশফুল গুতা, রূহানী খাযায়েন ১৪/২১২)।

স্ববিরোধ কথা :

মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ১৯০২ সালে তার একটি রচনায় লিখেছেন,

وانعقد عليه اجماع سكان تلك الناحية وتواتر على لسان اهلها انه قبر نبي كان ابن ملك وكان من بني اسرائيل وكان اسمه يوزآسف

অর্থ- সেই এলাকার (কাশ্মীরের) স্থানীয়রা একমত এবং সেখানকার একই ভাষাভাষী গোষ্ঠীও পরম্পরায় এই বিষয়ে একমত যে, এটি একজন নবীর কবর যিনি বাদশাহ’র পুত্র এবং বনী ইসরাইলী ছিলেন। তার নাম ছিল ইউজে আসেফ। (আল-হুদা, রূহানী খাযায়েন ১৮/৩৬১; মূল মির্যা কাদিয়ানী)।

এখানে প্রশ্ন হল, কোনো বাদশাহ’র পুত্র কি ঈসা (আ.) হবেন? নিশ্চয়ই না।

অন্য জায়গায় লিখেছেন, ‘আরও আশ্চর্যের বিষয় ইউয আসফের পুরাতন ধর্মগ্রন্থের সাথে (যা অধিকাংশ বিজ্ঞ ইংরেজ পণ্ডিতদের মতে যিশুখ্রিষ্টের জন্মের পূর্বেই লিখিত হয়েছিল এবং যা বিভিন্ন ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হয়ে নানা দেশে প্রচারিত হয়েছে) ইঞ্জিলের অধিকাংশ কথায় এত সামঞ্জস্য আছে যে বহু স্থানে বর্ণনাগুলোতে বাক্যসমূহ এর সাথে সম্পূর্ণ একরূপ। ইঞ্জিলে বর্ণিত উপাখ্যান সমূহ অক্ষরে অক্ষরে উক্ত পুস্তকেও বর্ণিত আছে।” (চশমায়ে মসীহি ১২-১৩; বাংলা চতুর্থ প্রকাশ জুলাই ২০১৮ ইং; মূল মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী)।

এখানে প্রশ্ন হল, যিশুখ্রিষ্টের জন্মের পূর্বেই যার জন্ম তিনি আর যিশুখ্রিস্ট (ঈসা) কি একই ব্যক্তি হতে পারেন?

প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৫

মির্যা কাদিয়ানীর একমুখে কত কথা! একবার বলল, ঈসা (আ.)-এর কবর বায়তুল মুকাদ্দাসে, আবার গ্যালিলে, আবার তিব্বতে আবার কিনা কাশ্মীরের শ্রীনগরে!

এখন এমন ব্যক্তিও কী করে আপনা দাবীতে সত্য হন?

মির্যা কাদিয়ানীর বইতে জীবিত ঈসা (আ.)-এর ‘কবরস্থান’ সম্পর্কে চার ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য। নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরছি,

১। ‘সিরিয়া’ এর অন্যতম একটি জনপদ গ্যালীলে। (রূহানী খাযায়েন খন্ড নং ৩ পৃষ্ঠা নং ৩৫৩)।
২। ‘ফিলিস্তিন’ এর বায়তুল মুকাদ্দাসের আঙ্গিনায়। (রূহানী খাযায়েন খন্ড নং ৮ পৃষ্ঠা নং ২৯৬-৩০০; টিকা দ্রষ্টব্য)।
৩। ‘কাশ্মীরের’ আশপাশে। (রূহানী খাযায়েন খন্ড নং ১০ পৃষ্ঠা নং ৩০২)।
৪। কাশ্মীরের শ্রীনগরের ‘খান-ইয়ার মহল্লা’তে। (রূহানী খাযায়েন খন্ড নং ১৪ পৃষ্ঠা নং ১৭২)। অত্র বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

ক্রমানুসারে প্রামাণ্য স্ক্যানকপি নিম্নরূপ :-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী

মির্যার স্ববিরোধীতা-১৪

মির্যা কাদিয়ানী কর্তৃক পবিত্র কুরআনের قد خلت এর একেক জায়গায় একেক রকম অর্থ নেয়ার দৃষ্টান্ত; কোথাও ‘অতীত হইয়া গিয়াছে‘ আবার কোথাও ‘আগমন করিতেন‘ এই রকম….!

মির্যা গোলাম আহমদ সাহেব লিখেছেন,

و ما محمد الا رسول قد خلت من قبله الرسل الخ يعنى محمد اس سے زیادہ نہیں کہ وہ رسول اللہ ہے اور اس سے پہلے تمام رسول اس دنیا سے ہمیشہ کے لئے گزر چکے ہیں۔

অর্থ- এবং মুহাম্মদ একজন রাসূল ব্যতীত অন্য আর কেউই নন, তাঁর পূর্বে সমস্ত রাসূল এই পৃথিবী ছেড়ে চিরকালের জন্য (گزر چکے ہیں) গত হইয়া গিয়াছেন। (রূহানী খাযায়েন ৩/৫৮৮)।

و ما المسيح بن مرىم الا رسول قد خلت من قبله الرسل الخ یعنی حضرت مسیح بن مریم میں اس سے زیادہ کوئی بات نہیں کہ وہ صرف ایک رسول ہے اور اس سے پہلے بھی رسول ہی آتے رہے ہیں۔

অর্থ- মসীহ ইবনে মরিয়মের ব্যাপারে এর চেয়ে বেশি আর কোনো কথা নেই যে, তিনি শুধুই একজন রাসূল মাত্র। তাঁর পূর্বেও রাসূলগণই (آتے رہے ہیں) আগমন করিতেন। (রূহানী খাযায়েন ৬/৮৯)। প্রামাণ্য স্ক্যানকপি:-

শেষকথা : মির্যা কাদিয়ানী লিখেছেন: মিথ্যাবাদীর কথায় অবশ্যই স্ববিরোধীতা হয়ে থাকে। (রূহানী খাযায়েন: ২১/২৭৫)।

অতএব এবার মির্যা কাদিয়ানী তারই স্ববিরোধী কথার কারণে কী সাব্যস্ত হলেন একটু ভেবে দেখবেন কি? এমন একজন মিথ্যাবাদীকে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কিজন্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করুন। আমীন।

লিখক, প্রিন্সিপাল নূরুন্নবী